ঘরের ঠাকুরঘর
ঠাকুরঘর বড় হওয়ার দরকার নেই — একটা তাক, একটা কুলুঙ্গি, এমনকি জানলার ধারে পরিষ্কার একটুকু জায়গাও যথেষ্ট। জায়গাটা যেন রান্নাঘরের আঁচ আর শোওয়ার খাটের মাঝখানে না পড়ে।
কখনএকবার ঠিক করে নিলে সারা জীবনের
যা লাগবে
- কাঠের বা পাথরের একটি তাক বা চৌকি
- পরিষ্কার কাপড় — লাল বা হলুদ
- প্রদীপ ও ধূপদানি
- জলের ছোট পাত্র ও আচমনী
- মূর্তি বা ছবি — যত কম তত ভালো
- ঘণ্টা
ক্রম
- উত্তর-পূর্ব কোণ সবচেয়ে ভালো; না হলে পূর্ব বা উত্তর দেওয়াল। শৌচাগারের গা ঘেঁষে বা তার উপরে-নিচে নয়।
- দেবতা যেন পূর্ব বা পশ্চিম মুখে থাকেন — আপনি পুজোর সময় পূর্ব বা উত্তর মুখে বসবেন।
- মাটিতে সোজা নয়, একটু উঁচুতে রাখুন — অন্তত কোমরের সমান।
- একটি ইষ্টদেবতা মূল — বাকি সবাই তাঁর পাশে, ছোট করে। তিনটির বেশি গণেশ বা শিবলিঙ্গ একসঙ্গে রাখার নিয়ম নেই।
- ভাঙা মূর্তি, ছেঁড়া ছবি, শুকনো ফুল — জমতে দেবেন না। বিসর্জন দিয়ে দিন।
- প্রয়াত মানুষের ছবি ঠাকুরঘরে নয়, আলাদা দেওয়ালে।
- রোজ সকালে মুছে নিন। প্রদীপের কালি জমলে ঠাকুরঘর দেখতে যা, মনেও তাই।
মনে রাখুনছোট আর পরিষ্কার সব সময় বড় আর অবহেলিতর চেয়ে ভালো।