—

ঘরের ঠাকুরঘর

ঠাকুরঘর বড় হওয়ার দরকার নেই — একটা তাক, একটা কুলুঙ্গি, এমনকি জানলার ধারে পরিষ্কার একটুকু জায়গাও যথেষ্ট। জায়গাটা যেন রান্নাঘরের আঁচ আর শোওয়ার খাটের মাঝখানে না পড়ে।

কখনএকবার ঠিক করে নিলে সারা জীবনের

যা লাগবে

ক্রম

  1. উত্তর-পূর্ব কোণ সবচেয়ে ভালো; না হলে পূর্ব বা উত্তর দেওয়াল। শৌচাগারের গা ঘেঁষে বা তার উপরে-নিচে নয়।
  2. দেবতা যেন পূর্ব বা পশ্চিম মুখে থাকেন — আপনি পুজোর সময় পূর্ব বা উত্তর মুখে বসবেন।
  3. মাটিতে সোজা নয়, একটু উঁচুতে রাখুন — অন্তত কোমরের সমান।
  4. একটি ইষ্টদেবতা মূল — বাকি সবাই তাঁর পাশে, ছোট করে। তিনটির বেশি গণেশ বা শিবলিঙ্গ একসঙ্গে রাখার নিয়ম নেই।
  5. ভাঙা মূর্তি, ছেঁড়া ছবি, শুকনো ফুল — জমতে দেবেন না। বিসর্জন দিয়ে দিন।
  6. প্রয়াত মানুষের ছবি ঠাকুরঘরে নয়, আলাদা দেওয়ালে।
  7. রোজ সকালে মুছে নিন। প্রদীপের কালি জমলে ঠাকুরঘর দেখতে যা, মনেও তাই।

মনে রাখুনছোট আর পরিষ্কার সব সময় বড় আর অবহেলিতর চেয়ে ভালো।

ॐ

—