উপবাসের নিয়ম
উপবাস মানে না খাওয়া নয়, কাছে বসা — উপ-বাস। খাওয়ার নিয়মগুলো সেই বসাটাকে সহজ করার জন্য, নিজেরা লক্ষ্য নয়।
কখনএকাদশী, প্রদোষ, সংকষ্টী, নবরাত্রি — যে ব্রতই হোক
যা লাগবে
- ফল, দুধ, দই
- সাবুদানা, শিঙাড়ার আটা, কুট্টুর আটা
- সৈন্ধব লবণ — সাধারণ নুন নয়
- জল — যতটা লাগে, নির্জলা ব্রত না হলে
ক্রম
- আগের দিন সন্ধেয় হালকা খাবার — ব্রত আসলে আগের রাত থেকেই শুরু।
- সকালে স্নান সেরে সংকল্প নিন: কোন ব্রত, কার জন্য, কত দিন।
- একাদশীতে চাল, ডাল, গম বাদ। পেঁয়াজ, রসুন, সাধারণ নুনও নয়।
- দিনে একবার ফলাহার, নাকি নির্জল — আগে ঠিক করে নিন, মাঝপথে বদলাবেন না।
- দুপুরে ঘুমোনো ব্রতের বিরুদ্ধে ধরা হয়; বরং পাঠ, জপ বা নাম।
- সন্ধেয় প্রদীপ ও পূজা, যে দেবতার ব্রত তাঁর।
- পারণ — পরের দিন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্রত ভাঙুন। একাদশীর পারণ দ্বাদশী পেরোনোর আগেই।
- ভাঙার সময় প্রথমে জল বা ফল, তারপর ভাত — পেটকে ধাক্কা দেবেন না।
মনে রাখুনঅসুস্থ, গর্ভবতী, বৃদ্ধ ও শিশুর জন্য ব্রত শিথিল — শাস্ত্রই তা বলে।